Dhaka ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ট্রাম্পের সহায়তা স্থগিত: সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কোন দেশ?

  • Update Time : ১২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 108

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বিদেশি সহায়তা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ ও খাত উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ইউক্রেন: ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা পেয়েছে ইউক্রেন, মোট ১,৬৬২ কোটি ডলার। এর মধ্যে ১,৬৪৮ কোটি ডলার অর্থনৈতিক সহায়তা এবং ১৪ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা। এই সহায়তা বন্ধ হলে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ প্রচেষ্টা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে।

ইসরায়েল: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সহায়তা পেয়েছে ইসরায়েল, মোট ৩৩১ কোটি ডলার, যার মধ্যে ৩৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা। এই সহায়তা বন্ধ হলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাত উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

ইথিওপিয়া, জর্ডান, মিশর: এই দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সহায়তা পেয়ে থাকে। সহায়তা স্থগিতের ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও সামরিক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ: ২০২৩ সালে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৫ কোটি ডলার সহায়তা পেয়েছে, যার মধ্যে ৫১ কোটি ডলার অর্থনৈতিক এবং ৪ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা। এই সহায়তা বন্ধ হলে দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ইতোমধ্যে সহস্রাধিক কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।

পিইপিএফএআর কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জরুরি এইডস সহায়তা কর্মসূচি (PEPFAR) ২০০৩ সাল থেকে ৫০টি দেশে ১২ হাজার কোটি ডলার সহায়তা প্রদান করেছে। এই কর্মসূচি স্থগিত হলে এইচআইভি/এইডস রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা প্রদান বাধাগ্রস্ত হবে।

সার্বিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা খাতে গভীর প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে, উন্নয়নশীল দেশগুলো এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আপনার সোশ্যাল মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Cricket Update

ট্রাম্পের সহায়তা স্থগিত: সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কোন দেশ?

Update Time : ১২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বিদেশি সহায়তা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ ও খাত উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ইউক্রেন: ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা পেয়েছে ইউক্রেন, মোট ১,৬৬২ কোটি ডলার। এর মধ্যে ১,৬৪৮ কোটি ডলার অর্থনৈতিক সহায়তা এবং ১৪ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা। এই সহায়তা বন্ধ হলে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ প্রচেষ্টা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে।

ইসরায়েল: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সহায়তা পেয়েছে ইসরায়েল, মোট ৩৩১ কোটি ডলার, যার মধ্যে ৩৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা। এই সহায়তা বন্ধ হলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাত উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

ইথিওপিয়া, জর্ডান, মিশর: এই দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সহায়তা পেয়ে থাকে। সহায়তা স্থগিতের ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও সামরিক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ: ২০২৩ সালে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৫ কোটি ডলার সহায়তা পেয়েছে, যার মধ্যে ৫১ কোটি ডলার অর্থনৈতিক এবং ৪ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা। এই সহায়তা বন্ধ হলে দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ইতোমধ্যে সহস্রাধিক কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।

পিইপিএফএআর কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জরুরি এইডস সহায়তা কর্মসূচি (PEPFAR) ২০০৩ সাল থেকে ৫০টি দেশে ১২ হাজার কোটি ডলার সহায়তা প্রদান করেছে। এই কর্মসূচি স্থগিত হলে এইচআইভি/এইডস রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা প্রদান বাধাগ্রস্ত হবে।

সার্বিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা খাতে গভীর প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে, উন্নয়নশীল দেশগুলো এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।