Dhaka ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীতে করোনায় প্রথম মৃত্যু, স্বাস্থ্যবিভাগে সতর্কতা জারি

ট্রেন্ডবিডিনিউজ ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 159

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেবল হক (৮০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে জেলায় এটি প্রথম কোভিড-১৯ জনিত মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

জানা যায়, মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন জেবল হক। সন্ধ্যা ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জেবল হক নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের লামছি গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম গনু মিয়া।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. আবদুর রহিম বলেন, “রোগীকে ভর্তি নেওয়ার পর থেকেই করোনা ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। মৃত্যুর আগে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় এবং রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে।”

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমিও এই মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “বর্তমানে জেলায় মোট তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে কিট সংকটের কারণে এখনো উপজেলা পর্যায়ে পরীক্ষা শুরু করা যায়নি।”

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার সোশ্যাল মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Cricket Update

নোয়াখালীতে করোনায় প্রথম মৃত্যু, স্বাস্থ্যবিভাগে সতর্কতা জারি

Update Time : ০৩:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেবল হক (৮০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে জেলায় এটি প্রথম কোভিড-১৯ জনিত মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

জানা যায়, মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন জেবল হক। সন্ধ্যা ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জেবল হক নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের লামছি গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম গনু মিয়া।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. আবদুর রহিম বলেন, “রোগীকে ভর্তি নেওয়ার পর থেকেই করোনা ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। মৃত্যুর আগে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় এবং রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে।”

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমিও এই মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “বর্তমানে জেলায় মোট তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে কিট সংকটের কারণে এখনো উপজেলা পর্যায়ে পরীক্ষা শুরু করা যায়নি।”

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।