Dhaka ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট ২০২৫: বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধান উপদেষ্টা

  • Update Time : ১১:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 107

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি: সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৃহত্তম নগরী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট-২০২৫’। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র রফিকুল আলম। তিনি জানান, আগামী ১১-১৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

আমন্ত্রণ ও অংশগ্রহণ

গত ১৩ জানুয়ারি আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক আমির শাইখ মুহাম্মাদ বিন রাশিদ আল মাখতুমের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অধ্যাপক ইউনূস সম্মেলনে যোগদানের সম্মতি প্রদান করেন।

সম্মেলনের গুরুত্ব

ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিশ্ব নেতারা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণ, অংশীদারিত্ব এবং নতুন ধারণা বিনিময়ের সুযোগ পান। এবারের সম্মেলন সরকারগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি, বৈশ্বিক মতবিনিময় এবং জনগণের সঙ্গে সরকারের সংযোগ জোরদারে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ

প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের চিন্তাভাবনা তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) বাস্তবায়নে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম জানান, সম্মেলনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য এই সম্মেলন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রধান উপদেষ্টার সফর কেবল বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে না, বরং বৈশ্বিক ক্ষেত্রে দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করবে।

আপনার সোশ্যাল মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Cricket Update

ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট ২০২৫: বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধান উপদেষ্টা

Update Time : ১১:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি: সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৃহত্তম নগরী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট-২০২৫’। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র রফিকুল আলম। তিনি জানান, আগামী ১১-১৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

আমন্ত্রণ ও অংশগ্রহণ

গত ১৩ জানুয়ারি আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক আমির শাইখ মুহাম্মাদ বিন রাশিদ আল মাখতুমের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অধ্যাপক ইউনূস সম্মেলনে যোগদানের সম্মতি প্রদান করেন।

সম্মেলনের গুরুত্ব

ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিশ্ব নেতারা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণ, অংশীদারিত্ব এবং নতুন ধারণা বিনিময়ের সুযোগ পান। এবারের সম্মেলন সরকারগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি, বৈশ্বিক মতবিনিময় এবং জনগণের সঙ্গে সরকারের সংযোগ জোরদারে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ

প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের চিন্তাভাবনা তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) বাস্তবায়নে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম জানান, সম্মেলনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য এই সম্মেলন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রধান উপদেষ্টার সফর কেবল বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে না, বরং বৈশ্বিক ক্ষেত্রে দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করবে।